গৃহত্যাগী জ্যোৎস্না------------হুমায়ুন আহমেদ
প্রতি পুর্নিমার মধ্যেরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই
গৃহত্যাগী হবার মত জ্যোৎস্না কি উঠেছে ----?
বালিকা ভুলানো জ্যোৎস্না নয়।
যে জ্যোৎস্নায় বালিকার ছাদের রেলিং ধরে ছুটাঁছুটি করতে করতে বলবে----
ও মাগো, কি সুন্দর চাঁদ!
নবদম্পতির জ্যোৎস্নাও নয়।
যে জ্যোৎস্না দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলবেন--
দেখ দেখ নীতু চাঁদটা তোমার সুখের মতই সুন্দর!
কাজলা দিদির স্যাতঁস্যাতে জ্যোৎস্না নয়।
যে জ্যোৎস্না বাসি স্মৃতিপুর্ন্ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে!
কাজলা দিদির স্যাঁত স্যাঁতে জ্যোৎস্নায় নয়।
যে জ্যোৎস্না বাসি স্মৃতিপুর্ন ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।
কবির জ্যোৎস্না নয়। যে জ্যোৎস্না দেখে কবি বলবেন--
কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ!
আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জ্যোৎস্নার জন্য বসে আছি।
যে জ্যোৎস্না দেখমাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে--
ঘরের ভেতরে ঢুকে পরবে বিস্তৃত প্রান্তর।
প্রান্তরে হাটব, হাটব আর হাটব---
পুর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে।
চারদিক থেকে বিবিধ কন্ঠ ডাকবে--আয় আয় আয়।
গৃহত্যাগী হবার মত জ্যোৎস্না কি উঠেছে ----?
বালিকা ভুলানো জ্যোৎস্না নয়।
যে জ্যোৎস্নায় বালিকার ছাদের রেলিং ধরে ছুটাঁছুটি করতে করতে বলবে----
ও মাগো, কি সুন্দর চাঁদ!
নবদম্পতির জ্যোৎস্নাও নয়।
যে জ্যোৎস্না দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলবেন--
দেখ দেখ নীতু চাঁদটা তোমার সুখের মতই সুন্দর!
কাজলা দিদির স্যাতঁস্যাতে জ্যোৎস্না নয়।
যে জ্যোৎস্না বাসি স্মৃতিপুর্ন্ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে!
কাজলা দিদির স্যাঁত স্যাঁতে জ্যোৎস্নায় নয়।
যে জ্যোৎস্না বাসি স্মৃতিপুর্ন ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।
কবির জ্যোৎস্না নয়। যে জ্যোৎস্না দেখে কবি বলবেন--
কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ!
আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জ্যোৎস্নার জন্য বসে আছি।
যে জ্যোৎস্না দেখমাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে--
ঘরের ভেতরে ঢুকে পরবে বিস্তৃত প্রান্তর।
প্রান্তরে হাটব, হাটব আর হাটব---
পুর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে।
চারদিক থেকে বিবিধ কন্ঠ ডাকবে--আয় আয় আয়।
No comments